শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ আমরা সবাই চিনির মিষ্টি স্বাদ এর সাথে অভ্যস্থ। সেই যে কোনো এক প্রাচীন কালে এর যাত্রা শুরু আমাদের জীবনে, যখন প্রথম পৃথিবীর আলো দেখি আমরা-কোনো এক দাদী বা চাচী বা কোনো এক দাই মা এর মিষ্টি দিয়ে জীবন শুরু যা আর বন্ধ হয়নি।
আমাদের জীবনে চিনির ব্যপকতা বলে বুঝানো যাবে না। চিনি খুব দ্রুত আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়, রক্তের নিম্নচাপকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে, ত্বকের উপকারে আসে, শরীরের কোথাও কেটে গেলে ঠিক করে।যদি আপনি মানসিক বিষন্নতায় ভুগে থাকেন, তাও দূর করবে চিনি। তাছাড়া ত্বকের মরা কোষ দূর করা, হাতের দূর্গন্ধ, ব্লেন্ডারের দাগ দূর করা, বিস্কুট মচমচে রাখা এসব ব্যাপারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা থাকে চিনির।
চিনির এত গুনাবলি থাকলেও, রয়েছে এর কিছু ক্ষতিকর দিক। সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে আমেরিকার পাশাপাশি প্রায় সমগ্র বিশ্বেই দৈনিক চিনি খাওয়ার প্রবণতা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। গড় হিসেবে প্রায় সিংহভাগ বিশ্ববাসী প্রতিদিন কম-বেশি প্রায় ২২ চামচ চিনি খেয়ে থাকেন, যা বিপদ সীমার থেকে অনেক ওপরে। প্রসঙ্গত, এত মাত্রায় চিনি খাওয়ার কারণে শরীরের মারাত্বক ক্ষতি হয়ে থাকে।
ক্ষতিকর দিকগুলো নিম্নে দেওয়া হলোঃ
- শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা কমে যায়ঃ বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চিনি শরীরে প্রবেশ করে ফ্রুকটোজে রূপান্তরিত হয়ে যায়, যা লিভারে মেদ জমাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রক্তেও ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে। ফলে একটা সময়ে গিয়ে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে লিভারের কর্মক্ষমতাও কমতে শুরু করে। তাই অতি মাত্রায় চিনি মেশানো পানীয় খাওয়া চলবে না।সেই সঙ্গে রান্নাতেও চিনির পরিমাণ কমাতে হবে। না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!
- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়ঃ চিনি খাওয়ার মাত্রা যত বাড়তে থাকে, তত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে। কারণ চিনি শরীরে প্রবেশ করার পর নিমেষে সুগার লেভেলকে অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। আর ।তাই আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, চিনি খেয়ে জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলতে চান, নাকি সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে চান।মোটা মানুষের ডায়াবেটিস টু হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আর চিনি এটি ত্বরান্বিত করে। বেশি চিনিযুক্ত খাদ্য স্থূলতা এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের দিকে পরিচালিত করতে পারে। উভয়ই টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকির কারণ।
- ব্লাড প্রেসার বাড়তে থাকেঃ শুনতে অবাক লাগলেও একথা একেবারে ঠিক যে বেশি মাত্রায় চিনি খেলে বাস্তবিকই রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। আসলে দেহের অন্দরে চিনির মাত্রা বাড়তে থাকলে ইনসুলিনের উৎপাদনও বেড়ে যায়, যে কারণে ধমনিতে এক ধরনের দেওয়াল তৈরি হতে শুরু করে। এই কারণেই রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্ট্রোকের মতো ভয়ঙ্কর রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।
- রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়ঃ জার্নাল অব দা আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে চিনি খাওয়ার মাত্রা বাড়তে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের ওজন বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও বিপদ সীমা ছাড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়, উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে হার্টের উপর মারাত্মক চাপ পড়ে। এবার বুঝেছেন তো চিনি আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকারক!
- এনার্জি কমতে শুরু করেঃ একথা ঠিক যে চিনি বা ওই জাতীয় কোনও খাবার খেলে নিমেষে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। কিন্তু একথাও ঠিক যে কিছু সময় পরে যখন চিনির রেশ কাটতে শুরু করে, তখন এত মাত্রায় এনার্জির ঘাটতি দেখা দেয় যে শরীর একেবারেই চলতে চায় না। শুধু তাই নয়, চিনি খাওয়ার মাত্রা বাড়ালে মস্তিষ্কের অন্দরে সেরাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যে কারণে ঘুম আসতে থাকে। ফলে কাজ করার ইচ্ছা একেবারে চলে যায়।
- মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকেঃ প্রায় ৯০০০ মানুষের ওপর, পাবলিক হেলথ জার্নালের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি খাওয়া শুরু করলে একটা সময়ের পর ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু চিনি খাওয়ার সঙ্গে মানসিক অবসাদের সম্পর্কটা ঠিক কোথায়? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়তে থাকলে মস্তিষ্কের অন্দরে ডোপামাইন নামক ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ কমে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ ঘিরে ধরে।
- ওজন বেড়ে যাওয়াঃ অতিরিক্ত চিনি খেলে বাড়তে পারে ওজন। বিশেষ করে চিনিযুক্ত পানীয় থেকে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। চিকিৎসকরা বলছেন, ভাত বা অন্য কোনো শর্করা জাতীয় খাবার খেলে যে পরিমাণ মেদ বাড়ে, চিনিতে বাড়ে তার অন্তত দুই থেকে পাঁচগুণ।
- হার্টের মারাত্মক ক্ষতি হয়ঃ চিনিতে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়াতে পারে। বেশি চিনি খাওয়া, হৃদরোগের ঝুঁকির কারণগুলো যেমন স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং প্রদাহ বৃদ্ধি করে। বেশি চিনিযুক্ত ডায়েটে হৃদরোগ থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। হৃদরোগ হলো সারা বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী একটি রোগ। যে বিষয়গুলো হৃদরোগ এর জন্য দায়ী তা হলো,
- রক্তে চর্বি বৃদ্ধি পাওয় ,
- উচ্চ রক্তচাপ
ডায়াবেটিস
- কায়িক পরিশ্রম না করা
- স্থুলতা
- ধূমপান
করা
- ব্রণঃ মিষ্টি জাতীয় খাবার প্রায় সবারই ভালো লাগে। কিন্তু বেশি চিনিযুক্ত খাবারগুলো এন্ড্রোজেন নিঃসরণ, তেলের উৎপাদন এবং প্রদাহ বৃদ্ধি করতে পারে, যা আপনার ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
- ক্যানসারঃ চিনি ও চিনিযুক্ত পানীয় ক্যানসারের কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। অত্যধিক চিনি স্থূলতা, ইনসুলিন প্রতিরোধ এবং প্রদাহ হতে পারে, এগুলো সবই ক্যান্সারের ঝুঁকির কারণ।
- বাড়তে পারে ডিপ্রেশনঃ মিষ্টি খাবারের প্রধান উৎসই হলো চিনি। আর চিনি ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চিনি এবং প্রসেসড খাবার, একজন পুরুষ ও নারী, উভয়েরই হতাশার ঝুঁকি বাড়ায়।
- ত্বকের বার্ধক্যঃ চিনিযুক্ত খাবার ত্বকের বার্ধক্য এবং বলিরেখা গঠন দ্রুত করতে পারে। খুব বেশি চিনি খাওয়ার ফলে টেলোমেরেস সংক্ষিপ্ত হতে পারে, যা কোষের বার্ধক্য বাড়ায়।
- শক্তি-ক্ষমতা হ্রাসঃ বেশি চিনিযুক্ত খাবারে রক্তে শর্করার বৃদ্ধি হয়। যা আপনার শক্তির মাত্রাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং তারপরে শরীর ভেঙে পড়ে। অত্যধিক চিনি খাওয়ার ফলে এনএএফএলডি হতে পারে। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি তৈরি হয়।
- দাঁতের স্বাস্থ্যঃ দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিনির কিছু অপকারি দিক রয়েছে। দাঁতের ক্ষয় রোগের জন্য মূলত চিনি অনেকটা দায়ী। আমরা যদি ঘনঘন মিষ্টি জাতীয় খাবার খাই, তবে খাবারের চিনি আমাদের মুখের ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ভেঙ্গে এসিড উৎপন্ন করে যা দাঁতের ক্ষয় রোগের জন্য দায়ী। একারনে ডাক্তাররা দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করতে বলেন যাতে করে আমাদের দাঁত ক্ষয় রোগ হতে রক্ষা পায়।
চিনি কম খেলে তা আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। চিনি কম খাওয়ার ফলে মাইক্রোবায়োমকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাইক্রোবায়োম মানে হলো উপকারী ব্যাকটেরিয়া কম থাকা ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেশি থাকা। চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলে মাইক্রোবায়োম ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ কমে যায়।
- শক্তি বৃদ্ধি করেঃ অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খেলে তা আমাদের শক্তির মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পেলে। কারণ বেশি চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই চিনি কম বা পরিমিত খেলে শরীরে শক্তির মাত্রা ঠিক থাকে।
- রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভালো রাখেঃ অতিরিক্ত চিনি খেলে তা শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি করে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে সারা বছর সর্দি-কাশি এবং ফ্লু বেশি হওয়ার ভয় থাকে। তাই চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। এতে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।
- ত্বক ভালো রাখেঃ প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাড্রেট ও চিনি বেশি খেলে তা শরীরে খুব দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে। ফলে আপনাকে বয়সের আগেই দেখতে বয়স্ক লাগে। তাই চিনি খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। এতে ত্বক ভালো রাখা সহজ হবে এবং সহজে শরীরে বয়সের ছাপ পড়বে না।
- শরীরে প্রদাহ কমায়ঃ অতিরিক্ত চিনি খেলে তা শরীরে প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়। এই প্রদাহের কারণে শরীরে আরও অনেক রোগ বাসা বাঁধতে পারে। তাই চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
- লিভার ভালো রাখেঃ আমাদের লিভার চিনিকে অ্যালকোহলের মতো একইভাবে বিপাক করে এবং ডায়েটরি কার্বোহাইড্রেটকে চর্বিতে রূপান্তর করে। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলেনন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ দেখা দিতে পারে। লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে গেলে এই সমস্যা দেখা দেয়। তাই চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমালে লিভার ভালো রাখা সহজ হবে।
- হলুদঃ অতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইডের কারণে দেহে প্রদাহ দেখা গেলে, ডিটক্স ওয়াটার, চায়ের মিশ্রণে বা স্যুপে কিছুটা হলুদ যোগ করে খেলে আরাম পাবেন। হলুদ কারকিউমিন সমৃদ্ধ একটি সক্রিয় যৌগ যা প্রদাহকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সবুজ শাক- সবজিঃ খাদ্য তালিকায় সবুজ ও মৌসুমি শাক- সবজি রাখতে হবে। এতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া এবং ইনসুলিন ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। রক্তের প্রবাহে চিনির ধীর নিঃসরণ নিশ্চিত করে, যা হঠাৎ রক্তে শর্করার বৃদ্ধির ঝুঁকি কমায়।
- পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবারঃ লাল চাল, গমের আটা, ভুট্টা, ওটসের মতো পূর্ণ শস্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করতে এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করতে পারে।
- অলিভ ওয়েলঃ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল হলো মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের উৎস, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রকে সক্রিয় রাখে।
- চর্বিযুক্ত মাছঃ যেসব মাছে ওমেগা-৩ এর পরিমাণ বেশি, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ আপনাকে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করবে।
- বাদামঃ আপনার ডেইলি ডায়েটে কিছু পরিমাণ বাদাম যুক্ত করলে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। বিভিন্ন হৃদসমস্যা ও ডায়বেটিস থেকেও মুক্তি পেতে পারবেন।
চিনির কিছু কার্যকরী ব্যাবহারঃ
উপরের আলোচনা বিশ্লেষণ করলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিনির ক্ষতিকর দিকই পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন এমন সব ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে চিনি শুধু ভালোই না বরং খুবই ভালো এবং উপকারি। যেমন,
- চিনি ঔষধ এর প্রিজারভেটিভ ও আন্টিওক্সিডেন্ট রূপে ব্যবহার হয়।
- হঠাৎ করে হেঁচকি উঠতে শুরু করলে আধা চা চামচ চিনি চুষে খেলে বন্ধ হয়।
- মৌমাছি হুল ফোটালে পানি আর চিনি সমান পরিমানে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে যন্ত্রনা ক...
- গরম কিছু খেয়ে যদি মুখ পুরে যায়, চিনি খেলে যন্ত্রনা কমে।
- শরীরে কোথাও কেটে গেলে, চিনি সেই ক্ষত সারাতে দ্রুত কাজ করে।
- মেক আপ তোলা বা মইশ্চারাইজার হিসেবে চিনি দারুন উপকারি
- আপনি যদি ঠোঁটে লিপস্টিক দেওয়ার পর ঠোঁটে সামান্য চিনি ছিটিয়ে দিয়ে অপেক্ষা করেন, তাহলে আপনার লিপস্টিক এর রঙ টি দীর্ঘ সময় থাকবে।
- শরীর পরিষ্কার করার জন্য চিনি হতে পারে ভালো উপাদান। জবা তেল বা অলিভ বা নারিকেল তেল এর সাথে চিনি মিশিয়ে গোসল এর আগে শরীরে মেখে কিছু সময় পর গোসল করে নিতে পারেন।
- আপনি যদি মাঠে বা বাগানে কাজ করে থাকেন বা আপনার গাড়ি ধুয়ে থাকেন, হাতের তালুতে সামান্য চিনি নিয়ে ভাল করে মেখে কিছু সময় পর সাবান দিয়ে ধুয়ে নিলে ভালো ফলাফল পাব।
- কাপড়ের দাগ তুলতে চিনির জুড়ি নাই।
- আপনার কেক, বিস্কিট, কুকিস ভালো ও মচমচে রাখে চিনি।
- ফুলদানির ফুল তাজা রাখে চিনি।
- পনির ভালো রাখে চিনি।
- আখের ছোবরা দিয়ে পার্টিকেল বোর্ড তৈরি হয়।
- টেক্সটাইল বা চামড়া বা জ্বালানি শিল্পেও রয়েছে এর বিবিধ ব্যবহার।
Tags:
Health tips
